প্রকাশিত: ০১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:২২ (সোমবার)
মার্চেও অপরিবর্তিত জ্বালানি তেলের দাম

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী। তবে সেই প্রেক্ষাপটে দেশীয় বাজারে আপাতত কোনো মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে না।

চলতি মার্চ মাসের জন্য পেট্রল, অকটেন, ডিজেল ও কেরোসিনের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। ফলে ফেব্রুয়ারিতে যে দামে এসব জ্বালানি বিক্রি হয়েছে, মার্চেও একই দামে বিক্রি হবে।

রোববার মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে জানানো হয়, মার্চ মাসে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০০ টাকা, কেরোসিন ১১২ টাকা, পেট্রল ১১৬ টাকা এবং অকটেন ১২০ টাকা নির্ধারিত থাকবে।

উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারিতেও একই দামে জ্বালানি তেল বিক্রি হয়েছে এবং ১ মার্চ থেকেই অপরিবর্তিত নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। এর আগে জানুয়ারিতে প্রতি লিটারে ২ টাকা এবং ফেব্রুয়ারিতে আরও ২ টাকা করে দাম কমানো হয়েছিল।

২০২৪ সালের মার্চ থেকে সরকার বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি চালু করে। এ ব্যবস্থায় আগের মাসে আমদানিকৃত জ্বালানির খরচ বিবেচনায় নিয়ে প্রতি মাসে মূল্য সমন্বয় করা হয়।

এই স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণের সূত্র নির্ধারণ করে ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি নির্দেশিকা জারি করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, দেশে ব্যবহৃত অকটেন ও পেট্রল মূলত ব্যক্তিগত যানবাহনে ব্যবহৃত হয়। তাই বাস্তবতা বিবেচনায় এগুলোকে বিলাসপণ্য হিসেবে গণ্য করে ডিজেলের তুলনায় বেশি দাম নির্ধারণ করা হয়।

জ্বালানি তেলের মধ্যে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জেট ফুয়েল এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের মূল্য নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। অন্যদিকে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

-বিপ্লব