বাগেরহাটের রামপালে বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৪ জনের পরিচয় মিলেছে। মোংলা পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের পরিবারের ১০ জনসহ ১৪ জন নিহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন, বর সাব্বির (৩০), নববধূ মারজিয়া আক্তার মিতু (২৫), মিতুর নানী আনোয়ারা (৭০), দাদি রাশিদা বেগম (৭৫), বোন লামিয়া (১২), বরের বাবা আব্দুর রাজ্জাক (৭০), মা আঞ্জুমান বেগম (৬০), বরের ভাবি পুতুল (৩৫), বরের বোন ঐশি (৩০), ঐশির স্বামী সামিউল, আব্দুল্লাহ সানি (১২), শিশু আলিফ ও ইরাম ও মাইক্রোবাসের চালক নাঈম শেখ (২৮)।
নিহতদের মধ্যে ১০ জনের মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে বলে নিশ্চিত করেন হাসপাতালের জরুরী বিভাগের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মেহনাজ মোশাররফ।
এছাড়া নিহত বাকি চারজনের লাশ রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রয়েছে। এদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী।
খুলনা হাইওয়ে পুলিশ সুপার মো. জাকারিয়া বলেন, দুর্ঘটনায় মোট ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে ১০ জনের মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও বাকি চারজনের লাশ রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে রামপাল উপজেলার বেলাইব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, আব্দুর রাজ্জাক বুধবার রাতে খুলনার কয়রায় ছেলে সাব্বিরের বিয়ে দিতে যান। রাতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে পরিবারসহ মোংলার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। বিকেল তিনটার দিকে তাদের মাইক্রোবাসটি বেলাই ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.