সুনামগঞ্জে তাহিরপুরের যাদুকাটা নদী এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় নদীর তীরে ধসে বালুর নিচে চাপা পড়ে শাহ আলম (১৯) নামের এক বালু শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে যাদুকাটা নদীর লাউড়েরগড় ডালারপাড় এলাকার জামাইল্লার চড়ে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাহ আলম পার্শ্ববর্তী বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের মিয়ারচড় গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার ভোর সকাল থেকে যাদুকাটা নদীর লাউড়েরগড় এলাকার ডালারপাড় জামাইল্লার( জামালের) চড়ে ৮/১০ টি নৌকা নিয়ে শতাধিক শ্রমিক অবৈধভাবে পাড় কেটে বালু উত্তোলন করেতে যায়। এ সময় হঠাৎ করেই নদীর পাড় ধসে শাহ আলমের উপর পড়লে শাহ আলম বালুর নিচে চাপা পড়ে। পরে তার সাথে থাকা অন্য শ্রমিক ও স্থানীয়রা শাহ আলমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মারা যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে তাহিরপুর থানার বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এস আই নাজমুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পূর্বেই স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। নিহতের পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এর আগে কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারি–সংলগ্ন রেলওয়ের রজ্জুপথের সংরক্ষিত এলাকায় অবৈধভাবে বালু-পাথর উত্তোলন করতে গিয়ে চাপা পড়ে প্রাণ প্রাণ হারান ফয়জুর রহমান (৩০) নামের এক শ্রমিক। তিনি ওই উপজেলার পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের পুরাতন মেঘারগাঁও গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারি–সংলগ্ন রেলওয়ের রজ্জুপথের (রোপওয়ে) সংরক্ষিত এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু ও পাথর উত্তোলন করতে যান একদল শ্রমিক। তাদের সঙ্গে ছিলেন ফয়জুর রহমানও। রাতে তারা বালু উত্তোলন করছিলেন। হঠাৎ বালু ধসে নীচে চাপা পড়েন ফয়জুর রহমান। এ সময় অন্য শ্রমিকেরা তাঁকে উদ্ধার করেন এবং এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.