প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:২৭ (রবিবার)
আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

 কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতের এমপি মুফতি আমির হামজার নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন সিরাজগঞ্জের আদালত।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা আমলি আদালতের বিচারক অতিরিক্ত চিফ  জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুমন কর্মকার এ আদেশ দেন।

 
এর আগে গত ২ এপ্রিল সকালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী বলার দায়ে সিরাজগঞ্জ জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে মুফতি আমির হামজার নামে মানহানির মামলা করেন।


ওইদিন বিকেলে আমির হামজার নামে সমন জারি করেন আদালত।


 
মামলার বাদী অ্যাডভোকেট হুমায়ন কবির কর্নেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, মুফতি আমির হামজা সিরাজগঞ্জের সন্তান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নাস্তিক ও আপাদমস্তক ইসলামবিদ্বেষী বলেছেন।


এতে সিরাজগঞ্জের মানুষ ক্ষুব্ধ হয়েছে। টাকা দিয়ে মান হয় না, তাই মামলায় টাকার কথা উল্লেখ করিনি।

সঙ্গে সঙ্গে ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন তিনি। আমরা ২৯৬, ৫০০ ও ৫০৪ ধারায় তার নামে মামলা করেছি।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুল হায়দার (রফিক সরকার) বলেন, আমরা সব কাগজ ও পেনড্রাইভ দিয়ে পূর্ণাঙ্গ মামলা ফাইল করেছিলাম। মামলাটি আমলে নিয়ে আদালত সমন জারি করেন। সমনে নির্ধারিত তারিখে উপস্থিত না হওয়ায় তার নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। 

গত ২৬ মার্চ জেলা প্রশাসন আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তাকে আপাদমস্তক ইসলামবিদ্বেষী ও নাস্তিক আখ্যা দিয়ে জনসম্মুখে বক্তব্য দেন মুফতি আমির হামজা। 

এ ঘটনায় ৩০ মার্চ দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর আমলি আদালতে অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম বাদী হয়ে ১০০ কোটি টাকা মানহানির মামলা করেন। 

এরপর ২ এপ্রিল অতিরিক্ত পিপি হুমায়ুন কবির কবির কর্নেল বাদী হয়ে আরও একটি মামলা করেন।