প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬ ১৪:২১ (বুধবার)
যাত্রী ওঠানো নিয়ে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে রণক্ষেত্র

ছবি : সংগৃহীত

সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের ছাতক উপজেলার বড় কাপন পয়েন্টে যাত্রী পরিবহনকে কেন্দ্র করে বাস ও সিএনজি শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে সংঘটিত এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় কয়েকটি সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বড় কাপন পয়েন্ট থেকে জাউয়া বাজারগামী তিনজন যাত্রী একটি সিএনজি অটোরিকশায় ওঠার পর বাস মালিক সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি ছাত্তার মিয়া চালক সাদিক মিয়াকে যাত্রী নিতে বাধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

সিএনজি শ্রমিক সমিতির সভাপতি কপিল উদ্দিন দাবি করেন, প্রথমে সিএনজি চালক সাদিক মিয়া ও তার বাবাকে মারধর করা হয়। পরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে তাদের অন্তত ১৫ জন আহত হন। এছাড়া ১৫ থেকে ২০টি সিএনজি ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অন্যদিকে বাস মালিক সমিতির ম্যানেজার ছাত্তার মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বাসের যাত্রী সিএনজিতে তুলে নেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষে তাদের পক্ষেরও ১৫ থেকে ১৬ জন আহত হয়েছেন। সিএনজি ভাঙচুরের ঘটনায় তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

সংঘর্ষের কারণে কিছু সময়ের জন্য সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ১০ জন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া ৮ থেকে ১০টি সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুরের বিষয়েও তথ্য মিলেছে। এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

 

সি/মা/ডেস্ক/এসসিজে