ছবি : সংগৃহীত
চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে কবর থেকে দেহাবশেষ উত্তোলনের জন্য দেওয়া পূর্বের আদেশ বাতিল করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী আবিদ হাসান।
মামলার বাদী ও সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম আদালতে আবেদন করে দেহাবশেষ উত্তোলনের অনুমতি বাতিলের অনুরোধ জানান। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই আদালত আগের আদেশ প্রত্যাহার করেন।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির ইন্সপেক্টর জিয়াউল মোর্শেদ গত ২০ মে আদালতে আবেদন করে জানান, ঘটনার প্রায় ২৯ বছর পর হত্যা মামলা হিসেবে তদন্ত শুরু হওয়ায় সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে পুনরায় দেহাবশেষ উত্তোলন করে সুরতহাল প্রতিবেদন ও ময়নাতদন্ত করা প্রয়োজন। ওই আবেদনের ভিত্তিতে গত ২৪ মে আদালত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে দেহাবশেষ উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছিলেন। পরে ১০ জুন বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করা হয়। ওই দিনই রমনা থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
দীর্ঘদিন পর গত বছরের ২১ অক্টোবর সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হক, শিল্পপতি আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়।
এর আগে গত বছরের ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত অপমৃত্যুর মামলাকে হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এরপর নতুন করে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়।
মামলার এজাহারে দাবি করা হয়েছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পরের যোগসাজশে সালমান শাহকে হত্যা করা হয়েছে। তবে অভিযোগের সত্যতা নিয়ে তদন্ত এখনো চলমান এবং মামলার বিচারিক কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।
সি/মা/ডেস্ক/এসসিজে
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.