প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫৩ (বুধবার)
মৃত্যুর ১০ দিন পর তামাবিল দিয়ে ভারতীয় নারীর মরদেহ হস্তান্তর

চিকিৎসার জন্য বিমানে যাত্রা করেছিলেন ভারতের আসাম রাজ্যের অঞ্জনা ভৌমিক (৫৬)। কিন্তু যাত্রাপথে বিমানে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় সেটি জরুরি অবতরণ করে ঢাকায়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। ১০ দিন পর বুধবার (২৮ অক্টোবর) সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে তার মরদেহ ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

দুপুরে গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করে। এ সময় তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র জানায়, গত ১৮ অক্টোবর চিকিৎসার উদ্দেশ্যে আগরতলা থেকে বিমানে কলকাতায় যাচ্ছিলেন অঞ্জনা ভৌমিক। পথে বিমানের দরজায় ত্রুটি দেখা দিলে সেটি জরুরি ভিত্তিতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটিতে দুই ক্রু সদস্য, একজন রোগী, একজন চিকিৎসক ও একজন প্যারামেডিকসহ মোট সাতজন ছিলেন। অবতরণের পর সবাইকে নিরাপদে পাওয়া যায়।

পরে অসুস্থ অঞ্জনা ভৌমিককে দ্রুত ঢাকার কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মরদেহ ভারতে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় দেখা দেয় নথিপত্রের জটিলতা। অঞ্জনা ভৌমিক ও তার সঙ্গে থাকা নিকটাত্মীয়ের পাসপোর্ট না থাকায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশন তাদের ট্রাভেল পারমিট দেয়। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ বুধবার তামাবিল চেকপোস্ট দিয়ে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

অঞ্জনা ভৌমিক ভারতের আসাম রাজ্যের কামরূপ জেলার আজেরা এলাকার বাসিন্দা। মরদেহের সঙ্গে তার বোন শান্তা ভৌমিকও ভারতে ফিরেছেন। মরদেহ হস্তান্তরের সময় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।