ছবি: সংগৃহীত
সিলেটের সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের ওপর বোমা হামলার অভিযোগে দায়ের করা বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ৭০ নেতা-কর্মীকে খালাস দিয়েছেন আদালত। এ রায়ের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১১ বছর ধরে চলা মামলাটির বিচারিক কার্যক্রমের অবসান ঘটল।
রোববার (১ নভেম্বর) সিলেটের জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩৬/১৫ নম্বর মামলায় এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মির্জা মো. ইয়াকুত হোসেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, একই ঘটনায় দায়ের করা মামলার দণ্ডবিধির অংশে ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর সব আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছিল। এবার বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলাতেও আসামিরা খালাস পাওয়ায় এ ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় সব আসামির অব্যাহতি নিশ্চিত হলো।
খালাস পাওয়া উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সিলেট মহানগর যুবদলের সভাপতি মির্জা মো. সম্রাট হোসেন, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মো. লোকমান, সাবেক সহ-সভাপতি চৌধুরী মো. সুহেল, বিমানবন্দর থানা বিএনপির সদস্যসচিব সৈয়দ সরওয়ার রেজা, সিলেট জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শিহাব খান ও আব্দুল হাফিজ রানা।
রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব আফছর খান, মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এমদাদুল হক স্বপন, সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ফারুক আহমদ, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল করিম সাচ্চু, কবির আহমদ, জালালাবাদ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব মানিক মিয়া, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আকমল খান, জুনেদ আহমদ ও মুমিন আহমদসহ অন্যরা।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার প্রতিবাদে সিলেট নগরের পাঠানটুলা এলাকায় মিছিল বের করেন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। ওই মিছিল থেকে তৎকালীন মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের ওপর বোমা হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় জালালাবাদ থানা-পুলিশ মামলা দায়ের করে। পরে দণ্ডবিধি ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে পৃথক অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, বদরউদ্দিন আহমদ কামরান ২০২০ সালের ১৪ জুন দিবাগত রাতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
সি/মা/ডেস্ক/এসসিজে
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.