বিশেষ প্রতিবেদন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

প্রচার থামল, শুরু নীরব লড়াই

প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৫:২৭

# ছয় আসনে৩৩ প্রার্থী
# বিএনপি চায় সব
# চারটিতে নজর জামায়াতের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে আজ মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। ব্যানার, মাইকিং আর মিছিল-পথসভায় মুখর সিলেট জেলার রাজনৈতিক মাঠ এখন দৃশ্যত নীরব থাকবে। তবে এই নীরবতার আড়ালেই চলছে শেষ মুহূর্তের রাজনৈতিক লড়াই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা এবং ভোটের অঙ্ক কষা, সমীকরণ ঠিক করা আর ভোটারদের মন বোঝার চেষ্টায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রার্থীরা। ঘরে ঘরে, চায়ের দোকানে, দলের অভ্যন্তরীণ বৈঠকে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ভোটারদের মন কোন দিকে যাচ্ছে। 


এদিকে, নির্বাচন নিয়ে সকল ইতোমধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সকল উপজেলায় পৌছে গেছে ব্যালটসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম। 


জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা কাছ থেকে জানা গেছে, সিলেট জেলায় ৬ আসনের মধ্যে সিটি করপোরেশন ও সদর উপজেলা, সিলেট-৩ আসনে তিনটি উপজেলার মধ্যে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা মহানগর পুলিশের ছয়টি থানায় পড়েছে। বাকি ১১ টি থানা জেলা পুলিশে অধীনে পড়েছে। এই ছয়টি আসনে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুলিশ শতভাগ নিরপেক্ষ থাকবে। সিলেট জেলার ৬টি আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১০১৬টি তার মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ৯৫টি চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ভোটকেন্দ্রগুলোতে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন থাকবে ও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি কেন্দ্রে তিনজন অস্ত্রধারীসহ ১৩ জন আনসার ও গ্রাম পুলিশ সদস্য, তিনজন পুলিশ সদস্য প্রত্যেক ভোট কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকবেন। এছাড়া ১০ টি ড্রোন মোতায়েন করা হবে। ২৩৪ টি কেন্দ্রে বডিঅন ক্যামেরা থাকবে। জেলা ও মহানগর মিলিয়ে পুলিশের ১৯৬ টি মোবাইল টিম, সেনাবাহিনী ১০ প্লাটুন, বিজিবি ২৮ প্লাটুনসহ ১২ স্ট্রাইকিং টিম কাজ করবে। প্রতিটি উপজেরায় ৪জন করে ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।


আরও জানা গেছে, সিলেটের ছয়টি আসনে মোট ২৯ লাখ ১৩ হাজার ৬৭৯ ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৯৯৯ ও মহিলা ভোটার রয়েছেন ১৪ লাখ ১৪ হাজার ৬৬৪ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১৬ জন। এবারের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র রয়েছে এক হাজার ১৬টি ও ভোট কক্ষ রয়েছে ছয় হাজার ছয়টি। সিলেট জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ৩৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ৩০ জন দলীয় এবং তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। অধিকাংশ আসনেই বিএনপি-জামায়াত জোটের প্রার্থীদের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। 


এই আসনগুলো ঘিরে এবারের নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ছিল শুরু থেকেই। ঐতিহাসিকভাবে সিলেট বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত হলেও জামায়াতে ইসলামীও বরাবরই এখানে উল্লেখযোগ্য প্রভাব রেখে এসেছে। ফলে এবারের নির্বাচনে ছয়টি আসনেই নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে মরিয়া বিএনপি, আর চারটি আসন  নিশ্চিত করতে মাঠে সক্রিয় জামায়াত।


এদিকে, প্রচার-প্রচারণা শেষ হলেও রাজনৈতিক তৎপরতা থেমে নেই। বরং প্রকাশ্য সভা-সমাবেশের বদলে এখন চলছে ‘নীরব প্রচার’। প্রার্থীদের ঘনিষ্ঠরা ভোটারদের সঙ্গে ব্যক্তিগত যোগাযোগ, মোবাইল ফোনে আলাপ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার কৌশল নিচ্ছেন। অনেক এলাকায় প্রার্থীরা নিজেরাই ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন, ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার অনুরোধ করছেন।


অনেকেই মনে করেন, সিলেটে শেষ ৪৮ ঘণ্টার এই নীরব সময়টাই অনেক ক্ষেত্রে ফল নির্ধারণ করে দেয়। কারণ এই সময় ভোটাররা আবেগ নয়, বরং বাস্তবতা ও সম্ভাবনার দিকটি বেশি বিবেচনায় নেন।


বিএনপির স্থানীয় নেতারা বলছেন, সিলেট বিভাগের ছয়টি আসনেই তাদের শক্ত সাংগঠনিক ভিত্তি রয়েছে। অতীতের নির্বাচনগুলোতে ভোটের ব্যবধান কম-বেশি হলেও বিএনপি এখানে সবসময় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিল। এবারের নির্বাচনে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঠে সক্রিয় উপস্থিতি এবং ভোটারদের মধ্যে সরকারের প্রতি অসন্তোষ তাদের পক্ষে কাজ করবে বলে আশা করছেন তারা।


বিএনপির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, ‘আমাদের লক্ষ্য একটাই ছয়টির ছয়টিই। কোনো আসনকেই হালকা করে দেখছি না। প্রতিটি কেন্দ্রে এজেন্ট, ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং ভোট রক্ষাই এখন মূল কাজ।’


অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী সিলেট জেলার চারটি আসনে নিজেদের অবস্থান নিয়ে আশাবাদী। বিশেষ করে সিলেট-১, সিলেট-৩, সিলেট-৬, সিলেট-৪। আসনে দলটির সাংগঠনিক শক্তি ও ভোটব্যাংক এখনও কার্যকর বলে মনে করছেন তারা।


জামায়াত নেতারা বলছেন, তারা ‘নীরব ও শৃঙ্খলিত’ প্রচারে বিশ্বাসী। ভোটারদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক এবং ধর্মীয়-সামাজিক কর্মকাণ্ড তাদের বড় শক্তি।’ 


সিলেট-১ আসন:
সিলেট-১ (সিটি কর্পোরেশন ও সদর) আসনে মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর (ধানের শীষ), জামায়াতের মাওলানা হাবিবুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের হাফিজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান (হাতপাখা), গণঅধিকার পরিষদের আকমল হোসেন (ট্রাক), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) সঞ্জয় কান্ত দাস (কাঁচি), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন (কাস্তে), ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. শামীম মিয়া (আপেল) এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রণব জ্যোতি পাল (মই)। এ আসনে মোট ভোটার ৬ লাখ ৮০ হাজার ৯৪৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৩ লাখ ৫৩ হাজার ১৮৬, নারী ৩ লাখ ২৭ হাজার ৭৭৪ জন এবং হিজড়া ১৩ জন।  ভোটকেন্দ্র  ২১৫টি, ভোট কক্ষের সংখ্যা ১ হাজার ২৬৬ টি। এ আসনে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ন দ্বিমূখী লড়াইযৈর আভাস পাওয়া গেছে।


সিলেট-২ আসন:
সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানী নগর) আসনে মোট পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন বিএনপির তাহসিনা রুশদীর লুনা (ধানের শীষ), ১০ দলীয় জোটপ্রার্থী খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ মুনতাছির আলী (দেওয়াল ঘড়ি), জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা মুহাম্মদ আমির উদ্দিন (হাতপাখা), গণফোরামের মো. মুজিবুল হক (উদীয়মান সূর্য)। মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৮  হাজার ৯৩২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭৯ জন এবং নারী ১ লাখ ৮০ হাজার ২৫৩ জন। ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ভোটকক্ষ রয়েছে ৭৩৩টি। এ আসনে বিএনপির ইলিয়াসপত্নী লুনা ও ১১ দলীয় জোটপ্রার্থী খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ মুনতাছির আলীর মধ্যেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।


সিলেট-৩ আসন:
সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা-ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ) আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরমধ্যে দলীয় চারজন আর স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন দুইজন। বিএনপির আব্দুল মালিক (ধানের শীষ), ১০ দলীয় জোটপ্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা মুসলেহ উদ্দিন রাজু (রিকশা), জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আতিকুর রহমান (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের রেদওয়ানুল হক চৌধুরী (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী (ফুটবল) ও মঈনুল বাকর (কম্পিউটার)। মোট ভোটার ৪ লাখ ১৬ হাজার। এরমধ্যে পুরুষ ২ লাখ ১১ হাজার ৭০৯ জন, নারী ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৯ জন এবং হিজড়া ভোটার ২ জন। মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৫১ ও ভোটকক্ষের সংখ্যা ৮৫২টি। এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন দলীয় চারপ্রার্থী।


সিলেট-৪ আসন:
সিলেট-৪ (কোম্পানীগঞ্জ-গোয়াইঘাট-জৈন্তাপুর) আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জয়নাল আবেদীন (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা সাঈদ আহমদ (হাতপাখা), গণঅধিকার পরিষদের জহিরুল ইসলাম (ট্রাক)।
মোট ভোটার ৫ লাখ ১২ হাজার ৯৩৩ জন। এরমধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৬৭ হাজার ১৩০ জন, নারী ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮০২ জন এবং হিজড়া ভোটার ১ জন। মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৭২ ও ভোটকক্ষের সংখ্যা ১০০৮টি। এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী।


সিলেট-৫ আসন:
সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনে দলীয় তিনজন ও স্বতন্ত্র একজনসহ মোট চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের উবায়দুল্লাহ ফারুক (খেঁজুরগাছ), ১০ দলীয় জোট প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ আবুল হাসান (দেওয়াল ঘড়ি), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের প্রার্থী মো. বিলাল উদ্দিন (হারিকেন), বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুনুর রশীদ (ফুটবল)। মোট ভোটার ৪ লাখ ২৮ হাজার ৭৪৮জন। এরমধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২১ হাজার ৩৫৭ জন ও নারী ২ লাখ ৭ হাজার ৩৯১ জন। মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৫৮ ও ভোটকক্ষের সংখ্যা ৯১৪টি। এ আসনে ত্রিমূখী লড়াইয়ে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন জমিয়তের উবায়দুল্লাহ ফারুক, খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ আবুল হাসান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুনুর রশীদ।


সিলেট-৬ আসন:
সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ) আসনে দলীয় চারজন ও স্বতন্ত্র একজনসহ মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এমরান আহমদ চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আবদুন নূর (লাঙ্গল), গণঅধিকার পরিষদের জাহিদুর রহমান (ট্রাক) এবং স্বতন্ত্রপ্রার্থী মো. ফখরুল ইসলাম (হেলিকপ্টার)। মোট ভোটার ৫ লাখ ৯ হাজার ৯৩জন। এরমধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৬ হাজার ৯৩৮ জন ও নারী ২ লাখ ৫২ হাজার ১৫৫ জন। মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৯২ ও ভোটকক্ষের সংখ্যা ১০১৩টি। এ আসনে বিএনপির এমরান আহমদ চৌধুরী ও জামায়াতের মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের মধ্যেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।


সিলেট জেলার রির্টানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম সিলেটের মানচিত্রকে বলেন, ‘জনগণের আস্থা ফেরাতে শতভাগ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুত আছে।’ 
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রত্যেকটি কেন্দ্রকেই গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। ইতিমধ্যে প্রতিটি উপজেলায় ব্যালটসহ ভোটের সরঞ্জাম পৌছে গেছে।’ 


ভোটকে শান্তিপূর্ণ করতে সকলকে তিনি সহযোগিতা করার আহবান জানান। পাশাপাশি সকল ভোটারকে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদানের অনুরোধ জানান।
 

বিশেষ প্রতিবেদন থেকে আরো পড়ুন