সিলেট

নগরীতে আ.লীগের মিছিল, ছাত্রলীগের আরেক নেতা গ্রেফতার

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬ ১৭:১১

সিলেট নগরীর নবাব রোড এলাকায় পিডিবি অফিসের সামনে থেকে মদিনা মার্কেটের দিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের ৪০/৫০ জনের নেতাকর্মীদের একটি ঝটিকা বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনায় আরও এক ছাতলীগ নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে মিছিল পরবর্তী সময়ে পুলিশ অভিযান দিয়ে তাৎক্ষনিকভাবে চারজনকে এবং পরে আরেকজনকে আটক করে কোতোয়ালী থানা পুলিশ।

 

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলের দিকে নগরীর বন্দরবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। 

 

গ্রেফতারকৃত আসামী ফুয়াদ আহমদ (৩২)। সে সিলেট মহানগরীর কোতোয়ালী থানার বিলপার এলাকার ৪২ নং বাসার কয়েস আহমদের ছেলে।

 

আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলম বলেন,‘নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের ঝটিকা বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ১৮ নম্বর আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর আগে আরও ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

 

এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) কোতোয়ালী থানার এসআই মাসুদ আহমদ বাদী হয়ে সিলেট মহানগরীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের ৬৯জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। তাৎক্ষনিক আটক হওয়া নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পাঁচ নেতাসহ ওই মামলায় ২৪জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৪০/৪৫জনকে আসামি করে এই মামলা দায়ের করা হয়। 

 

সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সিলেট মহানগরীর নবাব রোড এলাকায় পিডিবি অফিসের সামনে থেকে মদিনা মার্কেটের দিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের ৪০/৫০ জনের নেতাকর্মীদের একটি ঝটিকা বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযান দিয়ে তাৎক্ষনিকভাবে চারজনকে এবং পরে আরেকজনকে আটক করে কোতোয়ালী থানা পুলিশ।  আটককৃতরা হলেন ইব্রাহিম মোস্তফা মাহী, সানিয়াত আহমদ, রেদুয়ান আহমদ রাব্বী, আশরাফুল আহমদ শাহী ও সাকির আহমদ।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. নাসির উদ্দিন খানের উদ্যোগে কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয়। মিছিলে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। বিক্ষোভকারীদের বহন করা ব্যানারে আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, রাজবন্দীদের মুক্তি এবং ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। 

 

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাইনুল জাকির। তিনি বলেন, ‘এ মামলায় আগে পাঁচজনকে এবং নতুন করে মামলার ১৮ নম্বর আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলছে।’

সিলেট থেকে আরো পড়ুন