সারাবিশ্ব

যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশি প্রতিষ্টান

ইউক্রেন যুদ্ধে মানবপাচার নেটওয়ার্ক

প্রকাশ: ০৭ মে ২০২৬ ১২:৩৬

রাশিয়ায় বিদেশি নাগরিকদের পাচারের অভিযোগে নতুন করে একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্য। মঙ্গলবার (৫ মে) প্রকাশিত এই পদক্ষেপে মোট ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ড্রিম হোম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস লিমিটেড, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ—বিদেশে কাজের সুযোগের প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে রাশিয়ায় পাঠানো এবং যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার করা।  

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, রাশিয়া ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের প্রতারণার মাধ্যমে নিয়োগ দিচ্ছে। কেউ যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হচ্ছে, আবার কেউ অস্ত্র ও ড্রোন কারখানায় কাজ করছে। এই নেটওয়ার্ক ভাঙতেই নতুন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে।  

ড্রিম হোম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস মূলত অনলাইন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিমান টিকিট, হোটেল বুকিং, ভিসা সহায়তা ও ট্যুর প্যাকেজ সেবা দিয়ে থাকে। তবে যুক্তরাজ্যের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি মানবপাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিদেশি নাগরিকদের রাশিয়ায় পাঠিয়েছে। বিশেষ করে রাশিয়ার ‘আলাবুগা স্টার্ট’ কর্মসূচির মাধ্যমে বিদেশি শ্রমিক নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে।  

নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে থাইল্যান্ড, চীনসহ বিভিন্ন দেশের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান, যারা রাশিয়ার ড্রোন উৎপাদনে যন্ত্রাংশ ও প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। এদের মধ্যে রয়েছেন রাশিয়ার ‘ভিটি-৪০’ অ্যাটাক ড্রোন প্রস্তুতকারী কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী পাভেল নিকিতিন।  

যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞাবিষয়ক মন্ত্রী স্টিফেন ডাউটি বলেন, “ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ চালিয়ে নিতে অসহায় মানুষদের শোষণ করা অত্যন্ত বর্বরোচিত। মানবপাচারকারী ও অবৈধ অস্ত্র সরবরাহকারীদের চিহ্নিত করে তাদের কার্যক্রম ব্যাহত করাই এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য।”  

এছাড়া নিষেধাজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন পোলিনা আলেকজান্দ্রোভনা আজার্নিখ, যিনি মিসর, ইরাক, নাইজেরিয়া, মরক্কো, সিরিয়া থেকে লোকজন সংগ্রহ করে রাশিয়ায় পাঠানোর সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করেছে যুক্তরাজ্য।  

ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, ‘গ্লোবাল ইরেগুলার মাইগ্রেশন অ্যান্ড ট্রাফিকিং ইন পারসনস’ আইনের আওতায় এই প্রথম মানবপাচার ও অভিবাসনকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলো। এর মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো স্থানে মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং অর্থদাতাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সুযোগ তৈরি হয়েছে।  

যুক্তরাজ্য বলছে, ইউক্রেনের প্রতি তাদের সমর্থন অব্যাহত থাকবে এবং রাশিয়ার সামরিক সরবরাহ ব্যবস্থা ও মানবপাচার চক্রের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক চাপ আরও বাড়ানো হবে। 

সারাবিশ্ব থেকে আরো পড়ুন


বিজ্ঞাপন

 শিরোনাম
news icon সিলেটে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অরাজকতা  news icon নগর ভবনের সামনে থালা হাতে হকারদের ধর্মঘট news icon নগর ভবনের সামনে হকারদের অবস্থান ধর্মঘট news icon হবিগঞ্জে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, নিহত বাবা ও ছেলে news icon টেকসই আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের মাধ্যমে দুর্যোগকালে মানুষের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হবে: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী news icon টোকেনে শেষ সারাদিনের উপার্জন news icon গোয়াইনঘাটে গভীর রাতে ঘরে দুর্বৃত্তদের হানা, ছুরিকাঘাতে বৃদ্ধার মৃত্যু news icon বিছানাকান্দিতে পানিতে ডুবে নিখোঁজ শাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার news icon চামড়া শিল্পকে বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয়কারী খাত হিসেবে গড়ে তোলা হবে news icon ভারতীয় গরুর রমরমা বাণিজ্য সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী পশুর হাটে