উইকেটে জমে যাওয়া সালমান আলী আঘাকে ফেরালেন তাসকিন আহমেদ। বাংলাদেশের এই পেসারের অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারি ঠিকঠাক খেলতে পারেননি সালমান।
ব্যাটের কানায় লেগে ক্যাচ যায় গালিতে। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা সাদমান দারুণ দক্ষতায় ক্যাচ নিলেন।
সালমান ফিরতেই গ্যালারিতে গর্জন উঠে। মাঠেও বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের শরীরী ভাষায় ফুটে উঠে আগ্রাসন।
সবাইকে ছাড়িয়ে গেলেন মুশফিকুর রহিম। তাসকিনের ব্রেক থ্রুর আনন্দে মিড অনে ফিল্ডিং করা মুশফিক যেন হয়ে গেলেন উসাইন বোল্ট! এই আউটের পরই মূলত চিত্রনাট্য সহজ হয়ে যায়।
বাকি কাজটা করে দেন নাহিদ রানা।
সালমানকে ফেরানোর পর ঢাকা টেস্ট জিততে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি বাংলাদেশকে। এরপর দায়িত্ব তুলে নেন নতুন পেস সেনসেশন নাহিদ রানা। তার গতির কাছে একের পর এক পাকিস্তানি ব্যাটার পরাস্ত হন।
নাহিদ তুলে নেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইফার। তার আগুনে বোলিংয়েই বাংলাদেশ দল শেষ সেশনের এক ঘণ্টা আগেই ২৩.১ ওভার হাতে রেখে ১০৪ রানের জয় নিশ্চিত করে। যা দেশের মাটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে টাইগারদের প্রথম টেস্ট জয়। আর পাকিস্তানের বিপক্ষে এই ফরম্যাটে টানা তৃতীয় তথা হ্যাটট্রিক জয়।
খেলাধুলা থেকে আরো পড়ুন