সিলেট

মাদ্রাসা ও এতিমখানায় চামড়া সংরক্ষণের আহবান 

জুড়ীতে কর্মশালায় প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা 

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬ ১৬:১৫

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে যথানিয়মে পশু জবাই ও কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার সকালে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক উপজেলা সভাকক্ষে কর্মশালায় প্রশিক্ষণ প্রদান করেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মৃদুল কান্তি। 

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা বলেন, সরকার চামড়া সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় লবণ সরবরাহ করেছে। তিনি নিজ দায়িত্বে মাদ্রাসা ও এতিমখানায় চামড়া সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্টদের আহবান জানান। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন ফুলতা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম সেলু, জায়ফরনগর ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম, সাগরনাল ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান সরফ উদ্দিন, ইসলামিক ফাউণ্ডেশন উপজেলা ফিল্ড সুপারভাইজার মাওলানা হাবিবুর রহমান, মডেল কেয়ারটেকার মো. তাজ উদ্দিন, বিশিষ্ট আলেম মাওলানা বশির উদ্দিন, জুড়ী জালালীয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম,প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফখর উদ্দিন,মোহাম্মদ শাহীন আহমদ,ইসলামিক ফাউন্ডেশন মাঠ কর্মকর্তা মাওলানা হুছাম উদ্দিন, মাওলানা ফয়জুল ইসলাম, মাওলানা হাফিজ জমির উদ্দিন, চামড়া ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন, আলা উদ্দিনসহ বিভিন্ন মাদ্রাসার ও এতিম খানার প্রতিনিধিগণ।

কর্মশালায় উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মৃদুল কান্তির বক্তব্যে উপস্থিত প্রশিক্ষণার্থীরা ভিন্নমত প্রকাশ করে বলেন,মাদ্রাসা ও এতিমখানাগুলো অতিতে লবণ দ্বারা চামড়া সংরক্ষণ করার কোনো অভিজ্ঞতা ও স্হান এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকায় সংরক্ষণ করা সম্ভব নয়। এছাড়া পবিত্র ঈদুল আজহার দিনে এ পেশার সাথে জড়িত শ্রমিক পাওয়া যায় না। 


স্থানীয় চামড়া ব্যবসায়ীরা ও বিগত কয়েকবছর থেকে একটা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে চড়া মুল্যে চামড়া কিনতে চায়।যার ফলে চামড়া সংরক্ষণ ব্যয় বাড়াতে চায় না এতিমখানাগুলো।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসফিকুন নুর বলেন, সরকার চামড়া সংগ্রহকারী মাদ্রাসাগুলোকে এ বছর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিনামূল্যে লবণ দিচ্ছে।লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণ করে রাখবেন। আমরা ক্রেতাদেরকে আপনাদের তালিকা প্রদান করবো।

ক্রেতারা যদি চামড়া নিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করে এমন এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, উপজেলা প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করবেন আমরা ক্রেতাদের সাথে যোগাযোগ করবো।
চামড়া সংরক্ষণ ব্যয় বেশি হওয়ায় বেশির ভাগ প্রতিষ্টান সরকারের দেয়া লবণ নিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করে চলে গেছে।

সিলেট থেকে আরো পড়ুন