মৌলভীবাজারে দীর্ঘ দুই দশক পর বহুল আলোচিত একটি ডাকাতি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে।মামলায় ১৩ জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরও এক বছর করে কারাদন্ড দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক শামসাদ বেগম এ রায় ঘোষণা করেন।
সরকার পক্ষের আইনজীবী ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়ামুল হক জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দিয়েছেন। তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন পর এই রায়ের মাধ্যমে বাদী ন্যায়বিচার পেয়েছেন। একই সঙ্গে সমাজে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।”
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— মিলন মিয়া, রাহেল, দুলাল মিয়া, শাহেদ, সেলিম, সাতির ওরফে শাকিল, জুনাব আলী, কামাল, মকরম, নকুল ওরফে সুমন, খোকন, জাকারিয়া ও জামাল। তারা জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তিনজন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং তাদের তাৎক্ষণিকভাবে কারাগারে পাঠানো হয়। বাকি আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
মামলার বিবরণ জানা যায়, ২০০৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা গ্রামের বাসিন্দা মো. মারুফ আহমদের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় আসামিরা ঘরে থাকা এক নারীকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
পরে ধর্ষণসংক্রান্ত অভিযোগে পৃথক চার্জশিট দাখিল হওয়ায় বিষয়টি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আলাদা মামলায় বিচারাধীন রয়েছে।
এই রায়কে স্থানীয়রা দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর পাওয়া ন্যায়বিচার হিসেবে দেখছেন। মামলার বাদী ও তার পরিবার আদালতের রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
সরকার পক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়ামুল হক বলেন, দীর্ঘদিন পর এই রায়ের মাধ্যমে বাদী ন্যায়বিচার পেয়েছেন। একই সঙ্গে এই রায় সমাজে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সিলেট থেকে আরো পড়ুন